আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ২নং হাদিরা ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা। এরই মধ্যে সাধারণ মানুষের পাশে থেকে দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করায় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছেন সুখী পল্লীমা সোসাইটির চেয়ারম্যান এস. এম. আল হেলাল।
এলাকাবাসীর অনেকের মতে, চেয়ারম্যান মানে শুধু একটি পদ নয়—চেয়ারম্যান মানে মানুষের সুখ-দুঃখের সঙ্গী, বিপদে-আপদে পাশে থাকা একজন আপনজন। সেই জায়গা থেকে এস. এম. আল হেলালকে তারা একজন মানবিক বন্ধু ও জনবান্ধব মানুষ হিসেবে দেখছেন। দীর্ঘদিনের সামাজিক কর্মকাণ্ড, মানুষের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ এবং অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর কারণে তাকে নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে তৈরি হয়েছে নতুন প্রত্যাশা।
হাদিরা ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রাম, বাজার ও জনপদে দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা রেখে চলেছেন এস. এম. আল হেলাল। দরিদ্র ও অসহায় মানুষের চিকিৎসাসেবা, শিক্ষা সহায়তা, বিয়ে-শাদিতে সহযোগিতা, খাদ্য সহায়তা এবং বিভিন্ন সামাজিক প্রতিষ্ঠানে সহায়তার মাধ্যমে তিনি মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করে আসছেন।
মসজিদ-মাদ্রাসা, স্কুল-কলেজসহ বিভিন্ন ধর্মীয়, শিক্ষামূলক ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডেও তার সহযোগিতার কথা স্থানীয়রা উল্লেখ করেন। বিশেষ করে কোনো মানুষ বিপদে পড়লে তার সামর্থ্য অনুযায়ী পাশে দাঁড়ানোর মানসিকতা তাকে সাধারণ মানুষের কাছে আলাদা পরিচিতি দিয়েছে।
স্থানীয়দের ভাষায়—“হেলাল ভাইকে শুধু নেতা হিসেবে নয়, একজন আপন মানুষ হিসেবেই আমরা দেখি। মানুষের প্রয়োজনের সময় তাকে কাছে পাওয়া যায়—এটাই তার সবচেয়ে বড় পরিচয়।”
এলাকার সুধীজন ও সাধারণ ভোটারদের অনেকেই মনে করছেন, ইউনিয়নের উন্নয়ন ও নাগরিক সেবাকে আরও গতিশীল করতে প্রয়োজন একজন সৎ, যোগ্য, কর্মঠ ও জনবান্ধব নেতৃত্ব। তাদের প্রত্যাশা, এস. এম. আল হেলালের মতো একজন সমাজসেবী ও মানবিক মানুষ দায়িত্ব পেলে ইউনিয়নের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে নতুন গতি আসতে পারে।
তাদের প্রত্যাশার তালিকায় রয়েছে—
দুর্নীতিমুক্ত ও স্বচ্ছ ইউনিয়ন পরিষদ, মাদকমুক্ত সমাজ, উন্নত রাস্তাঘাট ও যোগাযোগব্যবস্থা, গ্রামীণ অবকাঠামোর উন্নয়ন, নাগরিক সেবার মান বৃদ্ধি, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবায় সহযোগিতা এবং তরুণ প্রজন্মের জন্য খেলাধুলা ও গঠনমূলক কর্মকাণ্ডের সুযোগ সৃষ্টি।
বিশেষ করে তরুণদের একটি অংশ মনে করেন, তাদের জন্য খেলাধুলা, শিক্ষা, সংস্কৃতি ও কর্মমুখী উদ্যোগ বাড়ানো গেলে মাদক ও অপরাধ থেকে তরুণ সমাজকে দূরে রাখা সম্ভব হবে। এ ক্ষেত্রেও একজন মানবিক ও কর্মমুখী নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে তারা মনে করেন।
রাজনীতির মাঠে অনেকেই প্রতিশ্রুতি দেন, কিন্তু মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থেকে সেই প্রতিশ্রুতিকে কাজে রূপ দেওয়া—সেটিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। আর এ কারণেই এস. এম. আল হেলালকে ঘিরে স্থানীয় মানুষের আগ্রহ দিন দিন বাড়ছে বলে দাবি করছেন তার সমর্থকরা।
তাদের প্রত্যাশা—হাদিরা ইউনিয়নের প্রতিটি গ্রাম, প্রতিটি পরিবার এবং প্রতিটি শ্রেণি-পেশার মানুষ যেন সমানভাবে নাগরিক সুবিধা পান। ধনী-গরিব, দল-মত কিংবা সামাজিক পরিচয়ের পার্থক্য না করে সবাইকে নিয়ে একটি সুন্দর, শান্তিপূর্ণ ও মানবিক ইউনিয়ন গড়ে তোলাই হওয়া উচিত ভবিষ্যৎ নেতৃত্বের অন্যতম লক্ষ্য।
হাদিরা ইউনিয়নের অনেক মানুষের প্রত্যাশা, চেয়ারম্যানের চেয়ারে এমন একজন মানুষ আসুক, যিনি শুধু অফিসে বসে দায়িত্ব পালন করবেন না; বরং গ্রামের মানুষের কষ্টের কথা শুনবেন, অসহায়ের পাশে দাঁড়াবেন, তরুণদের স্বপ্ন দেখাবেন এবং উন্নয়নের সুফল প্রতিটি মানুষের ঘরে পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করবেন।
সেই প্রত্যাশার জায়গা থেকেই এস. এম. আল হেলালকে নিয়ে মানুষের মধ্যে আলোচনা তৈরি হয়েছে। কেউ তাকে দেখছেন “মানবিক বন্ধু” হিসেবে, কেউ বা “দুঃসময়ের আপনজন” হিসেবে।
শেষ পর্যন্ত চেয়ারম্যান নির্বাচনে জনগণ কাকে বেছে নেবেন, সেটি নির্ধারণ করবে হাদিরা ইউনিয়নের ভোটারদের রায়। তবে মানুষের মুখে মুখে একটি প্রত্যাশার কথা শোনা যাচ্ছে—
“যে মানুষ মানুষের পাশে থাকে, মানুষের কষ্ট বোঝে, মানুষের জন্য কাজ করতে চায়—হাদিরা ইউনিয়নের নেতৃত্বে এমন একজন মানুষই প্রয়োজন।”
আর সেই প্রত্যাশার আলোচনায় বর্তমানে অন্যতম নাম সুখী পল্লীমা সোসাইটির চেয়ারম্যান এস. এম. আল হেলাল। মানুষের পাশে থাকার অঙ্গীকার, উন্নয়নের প্রত্যাশা এবং একটি সুন্দর, মানবিক ও জনবান্ধব হাদিরা ইউনিয়নের স্বপ্ন—এই তিনকে সামনে রেখেই তাকে ঘিরে তৈরি হয়েছে নতুন আলোচনা ও প্রত্যাশা।
নিউজ ডেস্ক: