
শুনানিকালে চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম অভিযোগ করেন, পিজি হাসপাতাল থেকে এভারকেয়ার হাসপাতালে যাওয়ার জন্য কামরুল ইসলাম মিথ্যা মেডিকেল রিপোর্ট জমা দিয়েছেন। তিনি আরও জানান, জেল হাজতে থাকলেও তার আইনজীবীরা সিঙ্গাপুর ও কেরানীগঞ্জে চিকিৎসার কাগজপত্র দাখিল করেছেন।
মেডিকেল রিপোর্টে অসঙ্গতি দেখে আদালত অসন্তোষ প্রকাশ করেন এবং সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকের সত্যতা যাচাইয়ের নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসার আবেদন বাতিল করে পিজি হাসপাতালেই চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেন ট্রাইব্যুনাল।
এদিকে জুলাই আন্দোলনের বিচার নিয়ে ওঠা অভিযোগ তদন্তে গঠিত ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কমিটির কাজ শেষ করতে আরও সময় লাগবে বলে জানান চিফ প্রসিকিউটর। তিনি বলেন, তদন্তে যার বিরুদ্ধেই অভিযোগ প্রমাণিত হবে, তাকেই আইনের আওতায় আনা হবে।