২০১৩ সালে মুক্তির পরই জিতু জোসেফের মালয়ালম থ্রিলার ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়। পরে এর সিক্যুয়েলটিও ব্যাপক প্রশংসিত হয়। একইভাবে ব্যবসায়িক সাফল্য পায় হিন্দি রিমেক দুটিও। এই ফ্র্যাঞ্চাইজির কেন্দ্রে আছেন জর্জ, একজন সাধারণ কেব্ল ব্যবসায়ী। কিন্তু পরিবারকে বাঁচাতে তাঁর বুদ্ধির সঙ্গে টক্কর দিতে পারে কম মানুষই। এবার আসছে এই ফ্র্যাঞ্চাইজির নতুন সিনেমা ‘দৃশ্যম ৩’। গতকাল রাতে প্রায় দুই মিনিটের টিজার মুক্তির পর থেকেই অনলাইনে চলছে সিনেমাটি নিয়ে আলোচনা।এবারও ছবির কেন্দ্রে আছেন মোহনলাল, তাঁর আলোচিত চরিত্র জর্জকুট্টিকে নিয়ে। তার পরিবারের গল্পই আবার ফিরে আসছে। যে গল্পের শুরু হয়েছিল ‘দৃশ্যম’ দিয়ে, পরে আরও বিস্তৃত হয় সিক্যুয়েলে।
তৃতীয় কিস্তির পরিচালনা ও চিত্রনাট্যে আগের মতোই আছেন জিতু জোসেফ। তৃতীয় কিস্তিতে তিনি তুলে ধরতে যাচ্ছেন অতীতের দীর্ঘ ছায়া, যে অতীত কখনোই পুরোপুরি চুপ করে থাকে না। নতুন ট্যাগলাইন—দ্য পাস্ট নেভার স্টেজ সাইলেন্ট। এটি ইঙ্গিত দিচ্ছে, চাপা পড়ে থাকা গোপন সত্য আবার সামনে আসতে চলেছে এবং তার পরিণতি এড়ানো যাবে না।টিজারজুড়ে রয়েছে টান টান সাসপেন্স। আগের ছবিগুলোর মতোই মানসিক টানাপোড়েন আর নৈতিক দ্বন্দ্ব গল্পের চালিকা শক্তি হয়ে উঠবে—এমনই আভাস মিলেছে।
মোহনলালের সঙ্গে ফিরছেন পরিচিত মুখগুলোও—মীনা, অনসিবা আহাসান ও এস্থার আলী। অতীতের ঘটনায় যাদের জীবন বদলে গেছে, সেই চরিত্রগুলোই এবার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে নতুন সংকটে।আগের কিস্তিতে রয়ে যাওয়া নানা প্রশ্নের উত্তর খোঁজার পাশাপাশি, ‘দৃশ্যম ৩’ আরও জটিল ও তীব্র গল্পের দিকে এগোচ্ছে। দর্শকদের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত অনিশ্চয়তায় রাখার প্রতিশ্রুতিও যেন স্পষ্ট।
ফ্র্যাঞ্চাইজিটি ভারতীয় সিনেমায় আলাদা এক জায়গা তৈরি করেছে—পারিবারিক আবেগ আর অপরাধ তদন্তকে একসুতোয় গেঁথে। সাধারণ এক পরিবারের গল্প কীভাবে হাই-স্টেক থ্রিলারে রূপ নেয়, সেটাই এই ফ্র্যাঞ্চাইজির বিশেষত্ব।
টিজার দেখে বোঝা যায়, অতীতের ছায়া আবার তাড়া করেছে জর্জের পরিবারকে। এবারও পরিবারকে বাঁচাতে জর্জ নতুন বুদ্ধি করবেন। কিন্তু শেষ রক্ষা হবে কি? সেটা জানা যাবে ছবিটি মুক্তির পরই। আগামী ২১ মে প্রেক্ষাগৃহে আসবে ‘দৃশ্যম ৩’। অজয় দেবগন অভিনীত হিন্দি সিক্যুয়েলের কাজও শুরু হয়ে গেছে। তবে হিন্দি ‘দৃশ্যম ৩’ কবে মুক্তি পাবে, সেটি নিশ্চিত নয়।