এতে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)-এর সমন্বয়ে ইরাকে অবস্থানরত ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানো হয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, সাম্প্রতিক ড্রোন হামলার জবাব হিসেবে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। সৌদি আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ইরাকের ভূখণ্ড থেকে উৎক্ষেপণ করা একাধিক ড্রোন ভূপাতিত করেছে, যেগুলো পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশ ও রাজধানী রিয়াদের তেল স্থাপনা লক্ষ্য করে পাঠানো হয়েছিল।
সৌদি আরব আরও জানায়, তারা উত্তেজনা বাড়াতে চায় না। তবে দেশের নিরাপত্তার বিরুদ্ধে যে কোনো আগ্রাসনের জবাব দিতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
অন্যদিকে, পিএমএফ এক বিবৃতিতে এ হামলাকে ‘চরম বিপজ্জনক পরিস্থিতি বৃদ্ধি’ আখ্যা দিয়ে বলেছে, এটি ইরাকের সার্বভৌমত্ব ও দেশটির সরকারি নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠানের ওপর সরাসরি লঙ্ঘন।
এদিকে, ইরাকের প্রধানমন্ত্রী আলী আল-জাইদি বৃহস্পতিবার সৌদি আরব সফরে যাওয়ার কথা রয়েছে। এর কয়েক দিন আগে তিনি সৌদি আরবে হওয়া ড্রোন হামলার ঘটনায় তদন্তের নির্দেশ দেন।
সোমবার ইরাকের সামরিক বাহিনী এক বিবৃতিতে জানায়, ভ্রাতৃপ্রতিম ও বন্ধুত্বপূর্ণ কোনো দেশের বিরুদ্ধে হামলার জন্য ইরাকের ভূখণ্ডকে ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না। এ ধরনের কর্মকাণ্ড ঠেকাতে দেশটি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
অন্যদিকে, ইরান-সমর্থিত বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীর জোট ইসলামিক রেজিস্ট্যান্স ইন ইরাক সৌদি আরবের অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে। তাদের দাবি, ড্রোন হামলায় তাদের কোনো সম্পৃক্ততা নেই।
সৌদি আরবের অভিযোগকে তারা ‘মনগড়া’ বলে উল্লেখ করে সতর্ক করেছে, সৌদি আরবের যেকোনো বেপরোয়া পদক্ষেপের কঠোর জবাব দেওয়া হবে।
নিউজ ডেস্ক: