ঢাকা আজকের তারিখঃ | বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
স্থানীয় সরকার নির্বাচনে রক্তপাত বন্ধ করাই আমাদের মূল লক্ষ্য : সিইসি চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরলেন রাষ্ট্রপতি কঙ্গোতে ইবোলার ভয়াবহ অবস্থা, মৃত্যু ৮৮ এবার ড. ইউনূসের শাসনামলের সব ঘটনার তদন্ত চেয়ে রিট ভারতগামী ফ্লাইটে একের পর এক বোমা হামলার হুমকি ট্রাম্প-শি বৈঠকে তাইওয়ান ইস্যু নিয়ে উদ্বেগ পুলিশকে যেন কেউ দেশ ও জনগণের বিরুদ্ধে ব্যবহার করতে না পারে বিটিডব্লিউএ অ্যাওয়ার্ড ২০২৫: সেরা ট্রাভেল কন্টেন্ট ক্রিয়েটর হিসেবে সম্মানিত হলেন সালাহউদ্দিন সুমন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের বৈঠক জলবায়ু ও শান্তির লক্ষ্যে ঢাকায় বৈশ্বিক নেতৃত্বের ঐক্য-রয়্যাল কনক্লেভ ২০২৬ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে রোসাটম মহাপরিচালকের সাক্ষাৎ মেধাভিত্তিক মানবসম্পদ গড়ে তোলা সরকারের অঙ্গীকার : প্রধানমন্ত্রী বগুড়ার বাগবাড়ীতে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রী ফের ক্ষেপণাস্ত্র ছুঁড়ল উত্তর কোরিয়া, বাড়ছে উত্তেজনা বন্ধ হয়ে গেল দেশের একমাত্র ডিএপি সার কারখানা কেন অভিনয় ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন প্রিয়াঙ্কা চোপড়া? জনগণকে ‘ই-হেলথ কার্ড’ দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে : প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে টেলিনর গ্রুপ প্রধানের সাক্ষাৎ ইরান আলোচনায় ফিরে না এলেও কিছু যায় আসে না : ট্রাম্প এমন সশস্ত্র বাহিনী চাই, যাদের বহিঃশক্তি সমীহ করবে: প্রধানমন্ত্রী

মানিকদার ছোঁয়ায় সহজ হয়েছিল অভিনয়, কিশোরী শর্মিলার প্রথম ছবির অজানা গল্প

  • প্রকাশের সময় : May 5, 2026 ইং
মানিকদার ছোঁয়ায় সহজ হয়েছিল অভিনয়, কিশোরী শর্মিলার প্রথম ছবির অজানা গল্প ছবির ক্যাপশন:
1768459961horizontal2.png

২ মে, ভারতীয় সিনেমার কিংবদন্তি সত্যজিৎ রায়ের জন্মবার্ষিকী মানেই তাঁর কাজ ও ব্যক্তিত্ব নিয়ে নতুন করে আলোচনা। আর সেই আলোচনায় বারবার ফিরে আসে এক মধুর স্মৃতি— কীভাবে মাত্র ১৪ বছরের এক কিশোরীর কাছে অভিনয়কে সহজ করে তুলেছিলেন তিনি। সেই কিশোরী অভিনেত্রী শর্মিলা ঠাকুরই পরবর্তীকালে হয়ে ওঠেন বিখ্যাত।

শর্মিলার প্রথম ছবি ছিল ‘অপুর সংসার’। তখন তাঁর বয়স খুবই কম। ক্যামেরার সামনে দাঁড়ানোর অভিজ্ঞতাও প্রায় ছিল না। কিন্তু মানিকদা, অর্থাৎ সত্যজিৎ রায়, প্রথম দিন থেকেই তাঁকে কোনও চাপ দেননি। বরং স্বাভাবিক থাকতে বলেছিলেন। শর্মিলা ঠাকুর তাঁর একাধিক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, ‘তিনি কখনও অভিনয় শেখানোর মতো করে কিছু বোঝাননি। শুধু বলতেন, যেমন স্বাভাবিকভাবে কথা বলো, তেমনটাই করো।’ এই সহজ নির্দেশই কিশোরী শর্মিলার ভয় দূর করে দেয়।ছবির সেটে পরিবেশটাও ছিল অত্যন্ত স্বস্তিদায়ক। রায়ের কাজের ধরন ছিল শান্ত, ধীর এবং নিখুঁত। তিনি প্রতিটি দৃশ্য খুব যত্ন করে গড়ে তুলতেন। কিন্তু অভিনেতাদের উপর চাপ সৃষ্টি করতেন না। ফলে নতুন শিল্পীরাও দ্রুত আত্মবিশ্বাস পেয়ে যেতেন। শুধু সংলাপ নয়, শরীরী ভাষা, দৃষ্টিভঙ্গি—সবকিছুতেই তিনি স্বাভাবিকতাকে গুরুত্ব দিতেন। তাঁর মতে, অভিনয়ের মূল শক্তি ‘অভিনয় না করা’, অর্থাৎ চরিত্রকে নিজের মতো করে বাঁচানো।এই দর্শনই শর্মিলার অভিনয়ে গভীর প্রভাব ফেলেছিল। ‘অপুর সংসার’-এ তাঁর অভিনয় আজও দর্শকদের মনে দাগ কেটে আছে। সেই শুরু। এরপর তিনি হয়ে ওঠেন ভারতীয় সিনেমার অন্যতম পরিচিত মুখ। আজ সত্যজিৎ রায়ের জন্মদিনে তাই এই গল্প শুধু স্মৃতিচারণ নয়, বরং তাঁর কাজের দর্শনের এক উজ্জ্বল উদাহরণ। যেখানে কঠিন শিল্পকেও সহজ করে তোলার এক অনন্য ক্ষমতা ছিল তাঁর হাতে।


নিউজটি আপডেট করেছেন : নিউজ ডেস্ক:

কমেন্ট বক্স