ঢাকা আজকের তারিখঃ | বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
স্পিকারের সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ মহামান্য রাষ্ট্রপতির সঙ্গে আনসার-ভিডিপি মহাপরিচালকের সৌজন্য সাক্ষাৎ নেপালে বন্যায় বহু প্রাণহানি, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের শোক ঢাকায় ভুটানের রাজার যাত্রাবিরতি, সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেন রাষ্ট্রপতি বঙ্গভবনে উঠলেন দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের শ্রদ্ধা রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে যে প্রক্রিয়ায় ভোট দেবেন সংসদ সদস্যরা শক্তিশালী রাজস্ব ব্যবস্থা গড়ে তোলার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী আনসার-ভিডিপি ক্রীড়াঙ্গনের নির্ভরযোগ্য শক্তি: কৃতি খেলোয়াড়দের সংবর্ধনায় ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আকস্মিক স্পারসো পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী মালয়েশিয়া সফর শেষে চীনের পথে প্রধানমন্ত্রী হোয়াইটওয়াশের মিশনে দুর্দান্ত ব্যাট করছে টাইগাররা ৫ বছরের মেগা কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ পুলিশের সঙ্গে কর্পোরেট চুক্তি করল তুর্কি এয়ারলাইন্স চাকরিনির্ভরতা থেকে উদ্যোক্তা: আত্মকর্মসংস্থানে আনসারের 'সঞ্জীবন' প্রকল্প একটি মহল দেশে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির চেষ্টা করছে : মির্জা ফখরুল বিদ্যুতের দাম বাড়ালো সরকার স্থানীয় সরকার নির্বাচনে রক্তপাত বন্ধ করাই আমাদের মূল লক্ষ্য : সিইসি এবার ড. ইউনূসের শাসনামলের সব ঘটনার তদন্ত চেয়ে রিট

দুই লাখ কর্মী ‘নেওয়ার’ ব্যাপারে মালয়েশিয়া বলছে ভিন্ন কথা

  • প্রকাশের সময় : Sep 3, 2026 ইং
দুই লাখ কর্মী ‘নেওয়ার’ ব্যাপারে মালয়েশিয়া বলছে ভিন্ন কথা ছবির ক্যাপশন:
1768459961horizontal2.png

বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার খোলার বিষয়ে নতুন জটিলতা সামনে এসেছে। দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর বৈদেশিক এ শ্রমবাজারের দুয়ার খোলার সম্ভাবনা তৈরি হলেও বিতর্ক পিছু ছাড়ছে না। একদিকে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, নীতিগতভাবে মালয়েশিয়া বাংলাদেশ থেকে কর্মী নিতে রাজি হয়েছে এবং যত দ্রুত সম্ভব পাঠানো শুরু হবে।

অন্যদিকে মালয়েশিয়া সরকার স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, বাংলাদেশের একজন প্রতিমন্ত্রীর দেওয়া প্রায় ২ লাখ কর্মী নেওয়ার বক্তব্য বাংলাদেশ সরকারের অফিসিয়াল অবস্থান নয়। গত মঙ্গলবার বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম জানিয়েছিলেন, আগামী ছয় মাসে মালয়েশিয়া প্রায় ২ লাখ বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগের পরিকল্পনা করেছে। তবে তার এ দাবি সঠিক নয় বলছে মালয়েশিয়া। দেশটির দাবি, বাংলাদেশ থেকে ২ লাখ কর্মী নেওয়ার ব্যাপারে মালয়েশিয়ার সরকার কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি।

দুপক্ষের এমন বিপরীতমুখী বার্তা সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি বাড়িয়েছে। অথচ ঢাকা- কুয়ালালামপুর সূত্র বলছে, শ্রমবাজার খোলার বিষয়টি এখনো চূড়ান্ত হয়নি। মালয়েশিয়ার যোগাযোগ মন্ত্রী দাতুক সেরি ফাহমি ফাদজিল গতকাল বুধবার দেশটির সাংবাদিকদের বলেন, বাংলাদেশের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, আগামী ছয় মাসে ২ লাখ বাংলাদেশি কর্মী নেওয়ার যে কথা বলেছেন, তা বাংলাদেশ সরকারের অফিসিয়াল সিদ্ধান্ত নয়। তিনি জানান, মালয়েশিয়ার মানবসম্পদ মন্ত্রী দাতুক সেরি আর. রামানানের সঙ্গে যোগাযোগ করে তিনি জানতে পেরেছেন, এই বক্তব্য বাংলাদেশ সরকারের অফিসিয়াল ঘোষণা হিসেবে ধরা যাবে না। ফাহমি বলেন, ‘এটি বাংলাদেশ সরকারের অফিসিয়াল সিদ্ধান্তের প্রতিনিধিত্ব করে না।’

মালয়েশিয়ার মানবসম্পদ মন্ত্রী রামানান এর আগে বলেছেন, স্থানীয় কর্মীদের অগ্রাধিকার দিতে হবে। বিদেশি কর্মী নিয়োগের আগে মালয়েশিয়ানদের চাকরির সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে। মালয়েশিয়া সরকার ২০৩০ সালের মধ্যে বিদেশি শ্রমিকের অনুপাত মোট কর্মশক্তির ১০ শতাংশে নামিয়ে আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে।

আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ক বিশ্লেষকদের মতে, জনশক্তি রপ্তানির মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সম্বনয়হীন বক্তব্য বহিঃসম্পর্কে প্রভাব পড়ে। ফলে পলিসি লেভেলের সিদ্ধান্ত নিয়ে বিভিন্ন বার্তা দিলে কাজের অগ্রগতি ব্যাহত হতে পারে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ওবায়দুল হক কালবেলাকে বলেন, শ্রমবাজার নিয়ে সরকারের বার্তায় সমন্বয় অপরিহার্য। এটি নীতিগত সিদ্ধান্ত, তাই একেক সময় একেক রকম বার্তা দেওয়া উচিত নয়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এরই মধ্যে মালয়েশিয়া সফরে গিয়ে কর্মী প্রেরণ নিয়ে ইতিবাচক আলোচনা করেছেন এবং বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছিল। কিন্তু ভিজিটের পর বিভিন্ন বার্তায় এ নিয়ে বিভ্রান্তি হচ্ছে। বহিঃসম্পর্কিত বিষয়ে মন্তব্য করার সময় সর্বোচ্চ সমন্বয় থাকা দরকার।

মালয়েশিয়া বাংলাদেশের অন্যতম বড় শ্রমবাজার। দেশটিতে প্রায় ৮ লাখ নিবন্ধিত বাংলাদেশি কর্মী কাজ করেন। কিন্তু ২০২৪ সালে মালয়েশিয়া সরকার বাংলাদেশ থেকে নতুন কর্মী নিয়োগে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করে। এ কারণে ১৭ থেকে ১৮ হাজার বাংলাদেশি শ্রমিক আটকে পড়েন। যাদের ভিসা বা কোটা অনুমোদিত ছিল, তাদের অনেকেই ২০২৪ সালের ৩১ মের মধ্যে মালয়েশিয়ায় প্রবেশ করতে পারেননি। এরপর নতুন নিয়োগ কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়। মূলত সিন্ডিকেট ও অনিয়মের কারণেই শ্রমবাজার বন্ধ হয়ে যায়। অনেক কর্মী মালয়েশিয়ায় গিয়ে প্রতিশ্রুত কাজ না পেয়ে বিপদে পড়েন। অনেকেই ঋণের জালে জড়িয়ে পড়েন এবং ভুয়া নথিপত্র দিয়েও অনেকে দেশটিতে যাচ্ছেন। এ ছাড়া সাম্প্রতিক সময়ে পুত্রজায়া বিদেশি শ্রমিকের ওপর নির্ভরতা কমাতে চাইছে এবং দেশটির সরকার ২০৩০ সালের মধ্যে মোট কর্মশক্তির প্রায় ১০ শতাংশে বিদেশি শ্রমিকের সংখ্যা কমিয়ে আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। এই পরিস্থিতিতে মালয়েশিয়া সরকার নিরাপত্তা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য নিয়োগ স্থগিত করে।

অন্তর্বর্তী সরকারের সময় এ শ্রমবাজার খোলেনি। বর্তমান বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর বিষয়টি নতুন করে গুরুত্ব পায়। কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু হয় শ্রমবাজার খোলার জন্য। দুই দেশের মন্ত্রী পর্যায়ে একাধিক বৈঠক হয়। সর্বোচ্চ পর্যায়ের আলোচনা হয় গত জুনে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মালয়েশিয়া সফরকালে প্রধানমন্ত্রী দাতুক সেরি আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে বৈঠক করেন এবং শ্রমবাজার পুনরায় উন্মুক্ত করার অনুরোধ জানান। একই সঙ্গে মালয়েশিয়ার রাজা সুলতান ইব্রাহিম ইস্কান্দারের সঙ্গেও আলোচনা হয়। এই সফরের পর থেকেই আশা তৈরি হয় যে, শিগগির বাজার খুলবে। কয়েকদিন আগে প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, মালয়েশিয়া নীতিগতভাবে বাংলাদেশ থেকে কর্মী নিতে রাজি হয়েছে। সরকারের বিশেষ অনুরোধে ১০ হাজার কর্মীকে সম্পূর্ণ বিনা খরচে (জিরো কস্ট) নেওয়ার বিষয়ে মালয়েশিয়া সম্মতি দিয়েছে। বিমানভাড়াসহ সব ধরনের অভিবাসন ব্যয় ছাড়াই এই কর্মীদের পাঠানো হবে। প্রথম বহর সরকারি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ ওভারসিজ এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেডের (বোয়েসেল) মাধ্যমে বিশেষ চার্টার্ড ফ্লাইটে কর্মীদের পাঠানোর পরিকল্পনা রয়েছে। এভাবেই শ্রমবাজার আবার চালু হবে বলে মন্ত্রণালয় জানায়।

মন্ত্রণালয় আরও জানায়, ২০২২ সালে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী রিক্রুটিং এজেন্সি বাছাইয়ের দায়িত্ব এককভাবে মালয়েশিয়া সরকারের ওপর ন্যস্ত। এই সমঝোতা স্মারকের মেয়াদ চলতি বছরের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত রয়েছে। এ কারণে মালয়েশিয়ার আরোপিত শর্ত পরিবর্তন করা বাংলাদেশের পক্ষে সহজ নয়। মালয়েশিয়া এরই মধ্যে ২৫টি বাংলাদেশি রিক্রুটিং এজেন্সিকে সরাসরি অনুমোদন দিয়েছে। এ ছাড়া আরও ৩১২টি এজেন্সিকে ‘অ্যাসোসিয়েট রিক্রুটমেন্ট এজেন্সি’ হিসেবে কর্মী পাঠানোর সুযোগ দিচ্ছে। সরকারি প্রতিষ্ঠান বোয়েসেলও এই প্রক্রিয়ায় অন্তর্ভুক্ত। মোট ৩৩৮টি এজেন্সির মাধ্যমে কর্মী পাঠানোর সুযোগ তৈরি হয়েছে বলে জানানো হয়।

বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার খোলা নিয়ে নানা ধরনের তথ্য দেওয়া হচ্ছে। তবে দেশটির সরকারের পক্ষ থেকে কর্মী নিয়োগ সংক্রান্ত আনুষ্ঠানিক বিবৃতি বা কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি। এ পরিস্থিতিতেই কয়েকদিন আগে মালয়েশিয়ার হাইকমিশনার শুহাদা ওথমানের সঙ্গে বৈঠকের পর মীর শাহে আলম সাংবাদিকদের বলেন, মালয়েশিয়া আগামী ছয় মাসে প্রায় দুই লাখ বাংলাদেশি কর্মী নেবে। সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে পর্যায়ক্রমে শুরু হবে এবং ছয় মাসের মধ্যে শেষ হবে। এর মধ্যে ১০ হাজার কর্মী বিনা খরচে নেওয়া হবে। তিনি আরও বলেন, মালয়েশিয়ায় প্রায় আট লাখ নিবন্ধিত বাংলাদেশি কর্মী আছেন এবং অনিবন্ধিতদের নিবন্ধনের অনুরোধও জানানো হয়েছে। পরে তার এই বক্তব্যকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার বিভিন্ন গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়। গণমাধ্যমগুলোর দাবি, মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি কর্মীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে এবং দেশটি সৌদি আরবের পর দ্বিতীয় বৃহত্তম শ্রমবাজার হতে পারে।

কর্মী প্রেরণে অনিশ্চয়তা কোথায়?

সূত্র বলছে, সুনির্দিষ্ট কোটা কত, কোন কোন খাতে কর্মী নেওয়া হবে—তা এখনো চূড়ান্ত হয়নি। সময়সূচি কী হবে, কবে প্রথম বহর যাবে, সে বিষয়েও স্পষ্ট কোনো ঘোষণা নেই। নতুন সমঝোতা স্মারক কীভাবে হবে এবং বাংলাদেশের স্বার্থ কতটা রক্ষা পাবে তাও অনিশ্চিত। মন্ত্রণালয় নিজেই সতর্ক করে বলেছে, শ্রমবাজার উন্মুক্ত করা নিয়ে নানা বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে, যা অনাকাঙ্ক্ষিত। এখনো সুনির্দিষ্ট প্রক্রিয়া চূড়ান্ত হয়নি। মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তি বা নির্দেশনা জারি না হওয়া পর্যন্ত কোনো লেনদেন, মেডিকেল পরীক্ষা বা পাসপোর্ট জমা না দিতে সবাইকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর মতে, প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের নেতৃত্বাধীন সরকারের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জও শ্রমবাজার খোলার ক্ষেত্রে সিদ্ধান্তে প্রভাব রয়েছে। পার্লামেন্টে অস্থিরতা, দলীয় বিভাজন, নীতিগত অনিশ্চয়তা এবং আসন্ন নির্বাচন সামনে রেখে সরকার নতুন বিদেশি শ্রমিক নিয়োগের বিষয়ে সতর্ক অবস্থান নিয়েছে। নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে প্রয়োজন অনুযায়ী কর্মী নিয়োগের বিষয়টি গুরুত্ব পেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, বাংলাদেশের কিছু রিক্রুটিং এজেন্সির কারসাজি, উচ্চ ফি, সিন্ডিকেট, জালিয়াতি এবং চাকরি ছাড়া শ্রমিক পাঠানোর মতো বিষয়গুলোও পরিস্থিতি জটিল করেছে। ২০২১ সালের ডিসেম্বরে স্বাক্ষরিত সমঝোতা অনুযায়ী চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে ২ লাখ ২০ হাজার শ্রমিক পাঠানোর লক্ষ্য থাকলেও ২০২২ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে প্রায় ৪ লাখ ৭৬ হাজারের বেশি শ্রমিক মালয়েশিয়ায় গেছেন। শুধু ২০২৩ সালেই প্রায় সাড়ে তিন লাখ কর্মী দেশটিতে যান। বর্তমানে মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশের ১০ লাখেরও বেশি কর্মী রয়েছেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, এ দুই দেশ উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে সেক্টরভিত্তিক, স্বচ্ছ, কম খরচের ও নৈতিক নিয়োগ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে দ্রুত শ্রমবাজার খোলার বিষয়ে সম্মত হয়েছে। তবে মালয়েশিয়া এমপ্লয়ার-পে মডেল, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম, স্বচ্ছতা ও সিন্ডিকেটমুক্ত প্রক্রিয়ার ওপর জোর দিচ্ছে। তবে এখনই কার্যকর কিছু হয়নি। দুই দেশের মধ্যে কারিগরি পর্যায়ের আলোচনা চলছে। সমঝোতা স্মারকের মেয়াদ ডিসেম্বরে শেষ হবে। এরপর নতুন সমঝোতা স্মারকে বাংলাদেশের স্বার্থ আরও সুরক্ষিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় খোলার বিষয়টি দুই দেশের সম্পর্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। কূটনৈতিক সাফল্যের পাশাপাশি স্বচ্ছতা, কর্মীদের স্বার্থ রক্ষা এবং শোষণমুক্ত প্রক্রিয়া নিশ্চিত করাই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

এসব নিয়ে ওবায়দুল হক কালবেলাকে আরও বলেন, ‘বর্তমানে দেশে জ্বালানি তেল, গ্যাসসহ নানা সংকট বিদ্যমান। এসব সমাধানে অর্থের জোগান প্রয়োজন। বাংলাদেশ জনশক্তি রপ্তানি করে রেমিট্যান্স অর্জন করে, যা অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শ্রমবাজারকে গুরুত্বের সঙ্গে দেখা না হলে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ব্যাহত হতে পারে। বিভ্রান্তিকর বার্তা দিয়ে যেন সুযোগ কমে না যায়, সেটি সবার খেয়াল রাখা উচিত।’


নিউজটি আপডেট করেছেন : নিউজ ডেস্ক:

কমেন্ট বক্স
দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী

দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী

ad300