ঢাকা আজকের তারিখঃ | বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বগুড়ার বাগবাড়ীতে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রী ফের ক্ষেপণাস্ত্র ছুঁড়ল উত্তর কোরিয়া, বাড়ছে উত্তেজনা বন্ধ হয়ে গেল দেশের একমাত্র ডিএপি সার কারখানা কেন অভিনয় ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন প্রিয়াঙ্কা চোপড়া? জনগণকে ‘ই-হেলথ কার্ড’ দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে : প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে টেলিনর গ্রুপ প্রধানের সাক্ষাৎ ইরান আলোচনায় ফিরে না এলেও কিছু যায় আসে না : ট্রাম্প এমন সশস্ত্র বাহিনী চাই, যাদের বহিঃশক্তি সমীহ করবে: প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চিঠি কেন পেয়েছিলেন পূর্ণিমা হাম পরিস্থিতি মোকাবিলায় কাজ করছে সরকার : স্বাস্থ্য সচিব ইরানের সঙ্গে ‘১০ দফা’ চুক্তির খবরকে ভুয়া বলে উড়িয়ে দিলেন ট্রাম্প যুদ্ধবিরতিতে জিতেছে ইরান, বড় সাফল্য বলছে যুক্তরাষ্ট্র বগুড়ায় উপনির্বাচন ও শেরপুরে নির্বাচন উপলক্ষে আনসার-ভিডিপির সর্বাত্মক প্রস্তুতি আদালতের উদ্দেশে ডিবি কার্যালয় থেকে শিরীন শারমিনকে নেওয়া হয়েছে ৭০-এর দশকেও বিশ্ব দেখেছিল তেল সংকট, এবার কী অপেক্ষা করছে? নতুন সরকারের প্রথম একনেকে অনুমোদন পেল ৬ প্রকল্প স্থানীয় সরকার নির্বাচন কবে, জানালেন প্রতিমন্ত্রী ট্রাম্পের অহংকার মাটিতে মিশিয়ে দিচ্ছে ইরান যে কোনো সময় মার্কিন দূতাবাসে হামলা, সতর্কতা জারি যুদ্ধ বন্ধে চীন ও পাকিস্তানের ৫ দফা

এখনো ‘সিন্ডিকেটে’ আটকে ৩০ লাখ পাঠ্যবই

  • প্রকাশের সময় : Feb 3, 2026 ইং
এখনো ‘সিন্ডিকেটে’ আটকে ৩০ লাখ পাঠ্যবই ছবির ক্যাপশন:
1768459961horizontal2.png
নতুন শিক্ষাবর্ষ শুরু হওয়ার পর এক মাস পেরিয়ে গেলেও এখনো ৩০ লাখের বেশি পাঠ্যবই শিক্ষার্থীদের হাতে পৌঁছায়নি। জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) ভেতরে গড়ে ওঠা কর্মকর্তা-প্রেস সিন্ডিকেটের কারণে বই ছাপা ও বিতরণে এমন ভরাডুবি হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। যদিও এনসিটিবির দাবি, এ বছর আগের চেয়ে দ্রুত বই পৌঁছেছে। তবে বই ছাপার সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এনসিটিবির এই দাবি সঠিক নয়। যেসব বছরে বই বিতরণে বিলম্ব হয়েছে সেসব ক্ষেত্রে প্রতিবারই বড় ধরনের কারণ ছিল। কিন্তু চলতি বছর তেমন কোনো কারণ নেই।এনসিটিবির বিতরণ শাখার তথ্য অনুযায়ী, গত শনিবার রাত পর্যন্ত মাধ্যমিকের ৩০ কোটি ২ লাখ ৩৯ হাজার ৬৫৩ কপি বইয়ের বিপরীতে উপজেলা পর্যায়ে বিতরণ হয়েছে ২৯ কোটি ৭১ হাজার ৮০ হাজার ৮৫৯ কপি। অর্থাৎ এখনো বিতরণ বাকি রয়েছে ৩০ লাখ ৫৮ হাজার ৭৯৪ কপি বই। এ হিসাবে সার্বিক বিতরণ হার ৯৮ দশমিক ৯৮ শতাংশ। তবে স্বস্তির খবর প্রাক-প্রাথমিক ও প্রাথমিক (সাধারণ) স্তরের শতভাগ পাঠ্যবই বিতরণ করা হয়েছে। মাধ্যমিকে সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতি ছিল ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণির বইয়ে। ষষ্ঠ শ্রেণিতে ৯৯ শতাংশ পাঠ্যবই সরবরাহ হলেও সপ্তম শ্রেণিতে এখনও ৫ শতাংশ ও অষ্টম শ্রেণিতে ৩ শতাংশ শিক্ষার্থী এখনো বই পায়নি।বই ছাপার এই সংকটের মূলে এনসিটিবির সদ্য বিদায়ী চেয়ারম্যান অধ্যাপক রবিউল কবির চৌধুরী এবং বর্তমান সদস্য রিয়াদ চৌধুরীর সিন্ডিকেটকে দায়ী করছেন সংশ্লিষ্টরা। অভিযোগ রয়েছে, এ চক্রটি আওয়ামী লীগ সরকারের ঘনিষ্ঠ নির্দিষ্ট কিছু প্রেসকে কাজ পাইয়ে দিতে নানা অনিয়ম করেছে। এর আগে ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণির ৬০৩ কোটি টাকার দরপত্র বাতিলের পর পুনরায় টেন্ডার হলে ‘প্রিন্ট মাস্টার’ ও ‘মাস্টার সিমেক্স’ নামের দুটি প্রতিষ্ঠান প্রাক্কলনের চেয়ে ৪৫ শতাংশ কম দরে কাজ পায়। এই দুই প্রেসের সরবরাহ করা নিম্নমানের কাগজের বই সহজেই ছাড়পত্র পেলেও অন্য মুদ্রণ প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে নানা অজুহাতে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়। এই বৈষম্যের ফলে বই ছাপার স্বাভাবিক গতি ব্যাহত হয়েছে এবং বছরের শুরুতেই শিক্ষার্থীদের হাতে মানসম্মত বই তুলে দেওয়ার সরকারি লক্ষ্যমাত্রা মুখ থুবড়ে পড়ে।এনসিটিবির সূত্র বলছে, ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণির বইয়ের দরপত্রে অনিয়মের দায়ে সদস্য রিয়াদ চৌধুরীকে সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত হলেও তিনি কৌশলে পদে টিকে থাকার চেষ্টা করছেন। তিনি নিজেই জানিয়েছিলেন চলতি বছরের বই ছাপার কাজ শেষ হলে গত ১৫ জানুয়ারির মধ্যে চলে যাবেন। তবে জানুয়ারি পেরিয়ে গেলেও তিনি পদে বহাল আছেন। অভিযোগ উঠেছে, সুবিধাভোগী প্রতিষ্ঠান ‘মাস্টার সিমেক্স’ তাকে পদে টিকিয়ে রাখতে পর্দার আড়ালে নানা তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে।এনসিটিবি চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মাহবুবুল হক পাটওয়ারী বলেন, শিক্ষার্থীদের হাতে ১ জানুয়ারি বই পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে কাজ শুরু হলেও নানা কারণে সম্ভব হয়নি। এরপর ১৫ জানুয়ারি টার্গেট ঠিক হলেও সেটাও সম্ভব হয়নি।

নিউজটি আপডেট করেছেন : নয়াদিন ডেস্ক

কমেন্ট বক্স