পারিবারের দাবি, ইন্দরকে খুন করেছেন সুখবিন্দর সিং। প্রায় তিন বছর আগে ইনস্টাগ্রামে মোগা জেলার ভালুর গ্রামের বাসিন্দা সুখবিন্দর সিংয়ের সঙ্গে পরিচয় হয় ইন্দরের। ধীরে ধীরে তাদের মধ্যে বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে। কিন্তু কিছুদিন পর ইন্দর জানতে পারেন যে, সুখবিন্দর বিবাহিত এবং তার একটি সন্তান রয়েছে। এরপরই নিজেকে সম্পর্ক থেকে গুটিয়ে নেন ইন্দর।
পরিবারের অভিযোগ, সুখবিন্দর বিষয়টি মেনে নিতে পারেনি। তাই বিয়ের জন্য ইন্দরকে ক্রমাগত চাপ দিতে শুরু করে কিন্তু ইন্দর সেই প্রস্তাব সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেন। এরপরই ক্ষীপ্ত হয়ে সুখবিন্দর ইন্দরকে বিভিন্নভাবে লাগাতার হুমকি দিতে শুরু করে।
গায়িকার ভাই যতিন্দর সিং পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করেছেন। ভাইয়ের দাবি, বিয়ের প্রস্তাব ফিরিয়ে দেয়ায় সুখবিন্দর ও তার সহযোগীরা ইন্দরকে বন্দুক দেখিয়ে অপহরণ করে এবং পরে তাকে নির্মমভাবে খুন করে লাশ খালে ফেলে দিয়েছে।পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, হত্যাকাণ্ড ঘটানোর উদ্দেশ্য নিয়েই কানাডা থেকে সরাসরি ভারতে না এসে প্রথমে নেপাল আসেন সুখবিন্দর। এরপর দেশটির সীমান্ত পার হয়ে পাঞ্জাবে এসে নৃশংসভাবে খুন করেন ইন্দরকে। এরপর আবার ফিরে যান কানাডায়।
এ ঘটনায় অপহরণ, খুন, ষড়যন্ত্রসহ একাধিক ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। দোষীকে আইনের আওতায় আনতে তদন্ত চলমান রেখেছে পাঞ্জাব পুলিশ।
নিউজ ডেস্ক: