আঞ্চলিক সড়ক উন্নয়ন, গ্রামীণ পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনা শক্তিশালীকরণ, নতুন সেতু নির্মাণ এবং নগর অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, এসব প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি এবং স্থানীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
এছাড়া একনেকের অবগতির জন্য পরিকল্পনা মন্ত্রীর অনুমোদিত আরও ৩৩টি প্রকল্প সভায় উপস্থাপন করা হয়, যা মূলত বিভিন্ন খাতে চলমান উন্নয়ন কার্যক্রমের অগ্রগতি ও সংশোধিত পরিকল্পনার সঙ্গে সম্পর্কিত।
এর আগে, গত ৬ এপ্রিল অনুষ্ঠিত বর্তমান সরকারের প্রথম একনেক সভায় ৪৮৩ কোটি ৪৩ লাখ টাকা ব্যয়ে ছয়টি প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়। ওই বৈঠকে ১৯টি প্রকল্প উপস্থাপনের কথা থাকলেও সময় স্বল্পতার কারণে আটটি প্রকল্প নিয়ে আলোচনা শেষে সভা স্থগিত করা হয়। এর মধ্যে ছয়টি প্রকল্প অনুমোদিত এবং দুটি প্রকল্প পরবর্তী পর্যালোচনার জন্য রাখা হয়। অবশিষ্ট প্রকল্পগুলো আজকের বৈঠকে পুনরায় আলোচনায় আনা হয়েছে।
উল্লেখযোগ্যভাবে, দীর্ঘদিন ধরে শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে একনেক সভা অনুষ্ঠিত হয়ে আসলেও এবার সেই ধারা ভেঙে সচিবালয়ের মন্ত্রিসভা কক্ষে বৈঠক আয়োজন করা হয়। সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, প্রধানমন্ত্রীর ব্যস্ততা এবং সচিবালয়কেন্দ্রিক প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনার সুবিধা বিবেচনায় এনে এ পরিবর্তন করা হয়েছে।অর্থনীতিবিদদের মতে, বর্তমান বৈশ্বিক অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জের প্রেক্ষাপটে অবকাঠামো উন্নয়ন ও কৃষিখাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধির এই উদ্যোগ দেশের টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করতে সহায়ক হবে। একই সঙ্গে প্রকল্প বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা ও সময়ানুবর্তিতা নিশ্চিত করার ওপরও গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।
নিউজ ডেস্ক: