সাবিলা বললেন, ‘কাজের প্রতি ভালোবাসা আর নিষ্ঠা সময়ের সঙ্গে আরও বেড়েছে। এবার ঈদে ‘বনলতা এক্সপ্রেস’ ও ‘রকস্টার’কে দর্শক যেভাবে ভালোবাসা ও সমর্থন দিয়েছেন, তাতে তাঁদের প্রতি আমার দায়িত্ববোধ আরও বেড়ে গেছে। দর্শকের এই ভালোবাসাই আমাকে আরও ভালো কাজ করার অনুপ্রেরণা দেয়। পরিবারের সমর্থনও সব সময় আমার সবচেয়ে বড় শক্তি। কাজের ব্যস্ততায় নানা উত্থান-পতনের মধ্য দিয়ে যেতে হয়, আর ঠিক তখনই পরিবারের ভালোবাসা ও পাশে থাকার গুরুত্ব সবচেয়ে বেশি অনুভব করি। বিশেষ করে গত কয়েক ঈদে আমি উপলব্ধি করেছি, পরিবারের সাপোর্ট ও আন্তরিক ভালোবাসা ছাড়া পথচলাটা এত সহজ হতো না।’
শাকিব খানকে অনুপ্রেরণা হিসেবে দেখেন অভিনেত্রী সাবিলা নূর। তাঁর মতে, অভিনয়জীবনের ২৭ বছরে এসেও প্রতিটি নতুন কাজের প্রতি শাকিব খানের যে নিষ্ঠা, পরিশ্রম ও নিজেকে নতুনভাবে উপস্থাপনের চেষ্টা, তা নতুন প্রজন্মের শিল্পীদের জন্য সত্যিই অনুপ্রেরণার। সাবিলা বলেন, একজন শিল্পী হিসেবে শাকিব খানের কাজের প্রতি ক্ষুধা ও ডেডিকেশন তাঁকে সবচেয়ে বেশি মুগ্ধ করে। ‘তাণ্ডব’-এ খুব বেশি দিন একসঙ্গে কাজ না করলেও তিনি খেয়াল করেছেন, শুটিংয়ের নির্ধারিত সময়ের আগেই সেটে উপস্থিত থাকতেন শাকিব। তাঁর ভাষায়, এত বড় একজন তারকার এমন পেশাদার মনোভাব সত্যিই অনুপ্রেরণাদায়ক।
‘তাণ্ডব’–এর তুলনায় ‘রকস্টার’-এ শাকিব খানের সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা বেশি সময়ের। দেশ ও দেশের বাইরে সাবিলা এই ছবির শুটিং করেছেন। সেই অভিজ্ঞতা সাবিলা জানান এভাবে, প্রথম দিন থেকেই তিনি শাকিব খানের কাজের প্রতি নিষ্ঠা দেখে বিস্মিত হয়েছেন। এতটা বছর কাজের পরও কাজের প্রতি তাঁর আগ্রহ ও প্রস্তুতি একটুও কমেনি। প্রতিটি চরিত্রে নিজেকে নতুনভাবে ভাঙার চেষ্টা তাঁকে আলাদা করেছে।
সহশিল্পী হিসেবেও শাকিব খান তাঁকে মুগ্ধ করেছেন। সাবিলা বলেন, ‘শাকিব ভাই তো মেগাস্টার, এত বড় তারকা হওয়ার পর শুটিং সেটে তিনি কখনোই তা বুঝতে দেন না। সবার সঙ্গে সহজে মিশে যান এবং এমন পরিবেশ তৈরি করেন, যেখানে সহশিল্পীরা স্বাচ্ছন্দ্য নিয়ে কাজ করতে পারেন।’
নতুন মিশন
সাবিলার এখনকার লক্ষ্য বড় পর্দায় ব্যস্ত হওয়া। সেই লক্ষ্যেই এগোচ্ছেন তিনি। ছোট পর্দায় আপাতত অভিনয় করতে চাইছেন না। পরপর দুটি ছবি তাঁকে আলোচনায় আনার পর এখন কয়েকটি চলচ্চিত্রে অভিনয়ের প্রস্তাব পেয়েছেন। নতুন প্রজেক্ট নিয়ে পরিচালক ও প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আলোচনা করেছেন তিনি। যদিও চূড়ান্ত হওয়ার আগে এ বিষয়ে বিস্তারিত বলতে চান না সাবিলা। তিনি জানান, বেশ কয়েকটি গল্প শুনেছেন এবং এর মধ্যে একটি সিনেমার কাজ অনেক দূর এগিয়েছে। সবকিছু ঠিক থাকলে সেটিই হবে তাঁর পরবর্তী চলচ্চিত্র।
সাবিলা বলেন, ‘কয়েকটা গল্প শুনেছি। একটা গল্পের প্রস্তুতি অনেক দূর এগিয়েছে। হচ্ছে এবং হবে। এখন চিন্তাভাবনার মধ্যে আছি। আশা করছি, মাসখানেকের মধ্যেই আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসবে।’ জুলাইয়ের শেষ দিকে নতুন ছবিটির ব্যাপারে আনুষ্ঠানিকভাবে জানা যাবে। টেলিভিশন থেকে চলচ্চিত্রে সফলভাবে পথচলা শুরু করা এই অভিনেত্রী মনে করেন, এখন গল্প ও চরিত্র বাছাইয়ের ক্ষেত্রেই সবচেয়ে বেশি মনোযোগ দেওয়া প্রয়োজন। সে লক্ষ্য নিয়েই প্রস্তুতি নিচ্ছেন তিনি।
নিউজ ডেস্ক:


